—দুই ধরনের চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ সময়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অভ্যন্তরে রিঅ্যাক্টর, টারবাইন ও নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যে তাৎক্ষণিক ও অত্যন্ত সমন্বিত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে কেন্দ্রের বাইরের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গেও কঠোর, নিয়ন্ত্রিত ও প্রযুক্তিগত সমন্বয় প্রয়োজন হবে।
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড-সংশ্লিষ্ট সংস্থা, সামরিক বাহিনী, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, নিউক্লিয়ার ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট সংস্থা এবং অন্যান্য সরকারি সংস্থা ও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রথম ইউনিটকে নিরাপদভাবে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার পর উৎপাদন ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। উৎপাদন শুরু হওয়ার পর টানা ৭ থেকে ৮ মাস পরীক্ষামূলক উৎপাদন চলতে পারে।
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে যুক্ত হবে। এর মধ্য দিয়ে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের মেয়াদ প্রথমে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল। পরে দুই দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ নেই। তবে ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধির কারণে প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ২৬ হাজার কোটি টাকা বেড়েছে। বর্তমানে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা