মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান ইসরায়েলের দিকে চলমান সংঘাতের মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, বুধবার (১ এপ্রিল) ইরান প্রায়
বিহারের রোহতাস জেলায় এক মুসলিম মা স্বামীকে মারধর করে হত্যার ঘটনা এবং অভিযুক্তদের হুমকির মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। তার সঙ্গে ছিলেন তার দুই ছোট
ভারতের কেন্দ্রীয় সড়ক ও পরিবহন মন্ত্রী নীতিন গড করি এবং সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার মুকেশ মোহনের মধ্যকার আইনি লড়াই বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে। একটি সংবাদ নিবন্ধের তথ্য ভিডিওতে প্রকাশ করায়
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) এক মার্কিন নারী সাংবাদিককে অপহরণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন তার খোঁজে শহরজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ইরাকের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকেও একজন নারী
ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত ৩২ দিনে পৌঁছেছে। একের পর এক পাল্টাপাল্টি হামলায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব। বিশ্ব এখন কেবল যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ ও শান্তি আলোচনা নিয়েই ব্যস্ত। এরই
বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওরাকল কর্পোরেশনে আবারও বড়সড় কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা ঘনিয়ে উঠেছে। সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, এরই মধ্যে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৩০ হাজার কর্মীকে কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে উদ্বেগের বিষয়,
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা মুহূর্তে মুহূর্তে রূপ পাল্টাচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে, বিশেষ করে কেন তারা যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে সম্পৃক্ত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ বদর বিন হামাদ বিন হামুদ আল-বুসাইদীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) তিনি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ওমানের সুলতান হাইথাম বিন
মিত্র দেশগুলো ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা-ইসরায়েল যুদ্ধে সমর্থন দিতে অস্বীকার করার পর ন্যাটো থেকে বেরিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি এই বিষয়টি তিনি ‘জোরালোভাবে বিবেচনা করছেন’। ট্রাম্প ন্যাটো
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের আবহেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট আরও গুরুতর রূপ নিতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ক্রমশ বাড়ছে এবং এর নেতিবাচক প্রভাব এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পরিবহণ খাতে পড়তে